সরবরাহ সংকট ও কম চাহিদা

ভিয়েতনামে কমেছে কফির বেচাকেনা

মৌসুমের শেষ প্রান্তে এসে ভিয়েতনামে কফি বাণিজ্য প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

মৌসুমের শেষ প্রান্তে এসে ভিয়েতনামে কফি বাণিজ্য প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়া ও চাহিদা হ্রাসের কারণে পণ্যটির বেচাকেনা কমেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির ব্যবসায়ীরা। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ভিয়েতনামের সর্ববৃহৎ কফি উৎপাদন অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডস। এ অঞ্চলে কৃষকরা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি ১ থেকে ১ লাখ ৭০০ ডং (৩ ডলার ৮২ সেন্ট থেকে ৩ ডলার ৮৪ সেন্ট) দরে বিক্রি করেছেন। আগের সপ্তাহে দেশটিতে প্রতি কেজি কফির দাম ছিল ৯৯ হাজার ৫০০ থেকে ৯৯ হাজার ৭০০ ডং।

তবে এসব দামে কৃষকরা কফি বিক্রি করতে আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তারা আরো জানান, বাজারে গত এক সপ্তাহে কার্যত কোনো লেনদেন হয়নি। বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার মৌসুমি ফসলের কফি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।

গত বুধবারের লেনদেন শেষে রোবাস্তা কফির সর্বশেষ দাম ১৯ ডলার কমে টনপ্রতি ৩ হাজার ৩৪০ ডলারে দাঁড়ায়। একাধিক গুদাম মালিক নতুন মৌসুম শুরুর (দুই মাস পর) আগে লেনদেন সীমিত রাখছেন। নতুন ফসল আগামী নভেম্বরে বাজারে আসার সম্ভাবনা আছে।

ভিয়েতনামের সরকারি তথ্যানুযায়ী, জানুয়ারি-জুলাই পর্যন্ত ভিয়েতনাম ১০ লাখ ৫০ হাজার টন কফি রফতানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। এ সময়ে কফি রফতানি আয় বেড়ে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় ৬৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। জুলাইয়ে মোট কফি রফতানি হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

বিশ্বে কফি উৎপাদনে অন্যতম শীর্ষ দেশ ইন্দোনেশিয়া। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশটির কফি উৎপাদন অঞ্চলে মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে রেকর্ড অতিবৃষ্টি বাজারকে প্রভাবিত করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা অঞ্চল থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন কফিতে ১৫০ ডলার মূল্য সংযোজন (প্রিমিয়াম) করে বিক্রি করা হয়েছে। এটি আগের সপ্তাহের ১৪০-১৫০ ডলার প্রিমিয়ামের তুলনায় বেশি। এ সময় নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে প্রিমিয়াম ছিল ১০০-১৫০ ডলার, আগের সপ্তাহে যা ছিল টনপ্রতি ১০০ ডলার।

আরও